পদ্মা সেতুর সুফল দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে নবনির্মিত চার লেনের আন্তর্জাতিক মানের এক্সপ্রেসওয়ে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকার সাথে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের যাতায়াত সময় অর্ধেকে নেমে এসেছে। পণ্যবাহী ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাস এখন অত্যন্ত মসৃণভাবে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী জানান, মহাসড়কটি নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ও উচ্চমানের বিটুমিনাস সারফেসিং ব্যবহার করা হয়েছে। দুর্ঘটনা রোধে সম্পূর্ণ সড়কে সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিজিটাল স্পিড মনিটরিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আগে যেখানে শাকসবজি ও কাঁচামাল রাজধানীতে পাঠাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে নষ্ট হতো, এখন মাত্র ৩-৪ ঘণ্টার মধ্যে পাইকারি বাজারে তা পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে। এতে কৃষকরা সরাসরি ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন।
পরিবহন বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, এই করিডোরটি ভবিষ্যতে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে আঞ্চলিক বাণিজ্যিক ট্রানজিটের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠবে।